গাজীপুর মহানগর ১৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন মন্ডলকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযোগে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এছাড়াও ১৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ রিপনও জমি সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল করেছেন এবং ইসলামপুর নয়া পল্লীর এক হিন্দু প্রতিবন্ধীর জমি দখল করেছিলেন। পরে ঝামেলা মীমাংসার জন্য ওই প্রতিবন্ধীর ছেলের কাছে জমি কিনে দেন।
মোহাম্মদ রিপন সাবেক কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ময়লা ফেলার স্থানের জন্য ইসলামপুর চকে স্থান নির্বাচন করে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতিপূর্ণভাবে আত্মসাৎ করেছিলেন। তার দুর্নীতির কারণে তিনি গাড়ি পোড়ার মামলা খেয়েছিলেন এবং তখন বাসন থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। পরে জামিনে মুক্তি পেয়েও, নিজের রাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য টঙ্গী পৌরসভার চেয়ারম্যান আজমত উল্লাহ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি আবারও বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
এর আগে, আবুল হোসেন মন্ডল ভাঙা ব্রিজ এলাকার নৌকা চলাচলের চাঁদের টাকা আদায়ের সাথে জড়িত ছিল ,এছাড়া ১৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন মিল, ফ্যাক্টরি ও কারখানার চাঁদাবাজির সঙ্গে তার সরাসরি সম্পর্ক ছিল।
গাজীপুরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অন্ধকারাচ্ছন্ন কাণ্ডে এই দুই নেতার নাম কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উঠে এসেছে, যা এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।