
মোঃ মমিন আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
বিজিবির অধিনায়ক মো. মাহফুজ রহমান বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তায় দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁর অবদান সহকর্মী, স্থানীয় জনগণ এবং নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করে পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত সীমান্ত অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম এলাকা এবং কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও সীমান্ত রক্ষা কার্যক্রমে তিনি কখনও দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে যাননি। বরং প্রতিটি দায়িত্ব সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতায় বয়সের ছাপ শরীরে পড়লেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যম, সাহস ও কর্মনিষ্ঠা আজও অনুকরণীয়। কাঁধে দায়িত্বের ভার আর হৃদয়ে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়ে তিনি এখনও সীমান্ত নিরাপত্তায় সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিজিবির অধিনায়ক মো. মাহফুজ রহমান মনে করেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি দায়িত্ব পালনের প্রতিটি মুহূর্তে পেশাগত শৃঙ্খলা ও সতর্কতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যরাও দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সীমান্তে কর্মরত প্রতিটি সদস্যের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত রক্ষা শুধু একটি দায়িত্ব নয়, এটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি জাতীয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে বিজিবির অধিনায়ক মো. মাহফুজ রহমান-এর দীর্ঘ ৩৬ বছরের কর্মজীবন নতুন প্রজন্মের সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
দেশের প্রতি তাঁর আত্মত্যাগ, দায়িত্ববোধ এবং কর্মনিষ্ঠা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। সীমান্তের এই অতন্দ্র প্রহরীর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক স্যালুট। একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত প্রতিটি সীমান্তরক্ষীর অবদানের প্রতিও রইল কৃতজ্ঞতা। তাঁদের নিরলস দায়িত্ব পালন ও সতর্কতার কারণেই দেশের সীমান্ত আরও নিরাপদ এবং সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে জীবনযাপন করতে পারছে।