মানবিক ও শ্রদ্ধাশীল ঢাকা ১৬ আসনের আমিনুল হক।
মোঃ রেজাউল করিম (লিটন) স্টাফ রিপোর্টার ঢাকা।
শনিবার ৩১শে জানুয়ারি, ২৬ ইং তারিখে মিরপুর সেকশন সাতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন ১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক, চারিদিকে স্লোগানে মুখরিত, এলাকার সকল শ্রেনী পেশার মানুষ মিছিলে শামিল হয়ে ধানের শীষে ভোটদিন বলে মুখরিত পুরো এলাকা।
বিএরপির ধানের শীষ প্রার্থী আমিনুল হক এলাকার নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, স্লোগানে মুখরিত মিছিলটি মিরপুর সেকশন সাতের রাস্তা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ একটি মৃতদেহ দেখতে পান আমিনুল হক। তা দেখা মাত্রই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সকল নির্বাচনী প্রচারণা ও স্লোগান বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
মুহূর্তের মধ্যেই সেই কোলাহল থেমে গিয়ে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে। আমিনুল হক সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে মৃত ব্যক্তির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ যেন মানবতার এক নতুন নিদর্শন।
দোয়া শেষে স্থানীয় মুরুব্বি, মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, "আমি এই এলাকার সন্তান, এখানেই ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি। আজ দশম দিনের মতো আমার গণসংযোগ চলছে। আমার সাথে স্থানীয় মুরুব্বি ও মুক্তিযোদ্ধারা রয়েছেন যারা সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত নন, কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য তারা আজ মাঠে নেমেছেন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাকে শতভাগ আশাবাদী করে তুলেছে।"
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। আমিনুল হক বলেন, "একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় আছি। কিন্তু এখনো ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বিপক্ষ দল ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সাধারণ মানুষের এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করে ভোট জালিয়াতির পাঁয়তারা করছে। এমনকি বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অপচেষ্টাও চালানো হচ্ছে।"
তিনি আরও যোগ করেন, "গত ১৭ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। যারা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান, ৯০-এর আন্দোলন এবং ৭১-এর স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে, তারা কোনো ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা সহ্য করবে না। যদি এই অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা যায়, তবে ১২ই ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশে একটি ‘ভোট বিপ্লব’ ঘটবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।"