ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমেও নিশ্চিত করা হয়েছে। �
এখন টিভি +১
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলাকার উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান তিনি। একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে কোনো ধরনের ভেদাভেদ না রেখে কাজ করার কথাও জানান বিএনপির এই প্রার্থী।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আসনটি শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। �
ইত্তেফাক +১
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন সামনে রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। রোববার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৭ অক্টোবর। এরপর ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। �
ইত্তেফাক
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। আসনটিতে ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকার ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীও আলোচনায় ছিলেন।
এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফয়সল আমীন দলীয় মনোনয়ন পান। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। �
কালবেলা
এদিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে অন্যান্য প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা স্পষ্ট হবে। এরপর প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম আরও জোরালো হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবেন। নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও ঘোষণাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।